রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ৩০–৩৫ ফুট গভীর একটি গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি
রাজশাহীর শিশু সাজিদ নিখোঁজ![]() |
| রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ৩০–৩৫ ফুট গভীর একটি গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, । ছবি : সংগৃহীত |
উদ্ধারকর্মীদের মতে, শিশুটি যে গর্তে পড়েছে, তার পাশ দিয়ে বিকল্প টানেল কেটে নিচে নামার চেষ্টা চলছে। তবে ৪৫ ফুট গভীর পর্যন্ত খনন করেও শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। আজ দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত অভিযান চালানো হলেও তার অবস্থান শনাক্ত করা যায়নি।
সাজিদ স্থানীয় মো. রাকিবের ছেলে।
উদ্ধার কাজ তদারকিতে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক
আজ দুপুরে ঘটনাস্থলে যান ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, “শিশুটিকে না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলবে। প্রয়োজনে কাজ ১০০ ফুট পর্যন্ত নামিয়ে নিতে হতে পারে।”
গর্তে ক্যামেরা নামানো হলেও সীমা অতিক্রম করা যায়নি
ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র জানায় যে, গর্তে সার্চ ক্যামেরা নামানো হলেও ৪৫ ফুটের পর ক্যামেরা আর নামতে পারেনি। এরপর কীভাবে এগোনো যায়—তা নিয়ে শিশুর পরিবার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উদ্ধারকারী দলের মধ্যে আলোচনা চলছে।
গর্তটি কীভাবে তৈরি হয়?
স্থানীয়দের মতে এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে এবং নতুন গভীর নলকূপ বসানো নিষিদ্ধ। এ অবস্থায় স্থানীয় কছির উদ্দিন পানি আছে কি না দেখতে পরীক্ষামূলকভাবে গর্তটি করেছিলেন। ভরাট করা হলেও বর্ষায় মাটি দেবে গিয়ে আবার বড় গর্ত তৈরি হয়। সেই গর্তেই পড়ে যায় ছোট্ট সাজিদ।
মেশিন দিয়ে খনন, তিনটি ইউনিট, পুলিশ ও সেনাবাহিনী কাজ করছে
বুধবার সন্ধ্যায় এক্সকাভেটর দিয়ে খনন শুরু হয়। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, পুলিশ এবং সেনাবাহিনী উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। রাত ১০টার দিকে ছোট এক্সকাভেটর অকার্যকর হয়ে গেলে বড় এক্সকাভেটর এনে কাজ শুরু করা হয়।
আজ সকালে ৩৫ ফুট গভীরে গর্তের পাশ কেটে নামার পরও শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি আরও গভীরে সরে গেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন