Morazzie Banner

🔥 Morazzie Mega Sale

Fashion • Gadgets • Accessories
Up to 70% OFF — Limited Time!

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

ডিজেল সরবরাহে স্বস্তি, চট্টগ্রামে আসছে একাধিক জ্বালানি তেলের জাহাজ

এপ্রিলে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একাধিক জাহাজে ডিজেল আমদানি হচ্ছে। চট্টগ্রামে আসছে ৬০ হাজার টন ডিজেল, সংকটের শঙ্কা নেই।
প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেল বহনকারী জাহাজ নোঙর করছে  | ছবি: সংগৃহীত  

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একের পর এক জাহাজ আসার খবর দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এ ছাড়া চলতি মাসজুড়ে আরও কয়েকটি জাহাজে জ্বালানি তেল আসবে বলে জানা গেছে।

মজুত কমলেও সংকটের শঙ্কা নেই

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে ডিজেলের মোট চাহিদা প্রায় ৪ লাখ টন। বর্তমানে মজুত রয়েছে এক লাখ টনের কিছু বেশি। এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারযোগ্য অতিরিক্ত মজুতও রয়েছে।

চলতি মাসে আরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় দেড় লাখ টনের বেশি জ্বালানি তেল আসার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি আসছে

সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জ্বালানি আমদানির দায়িত্ব পালন করছে। নিয়মিত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি নতুন উৎস থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চীন, ইন্দোনেশিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে একাধিক চালানে ডিজেল আসার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।

সরকারের আশ্বাস

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় বেশি পরিমাণ জ্বালানি কেনা হয়েছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উৎস থেকে আমদানি বাড়ানো হচ্ছে। ভবিষ্যতের জন্য অতিরিক্ত মজুত তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

নতুন উৎস ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

নতুন কিছু আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীর কাছ থেকেও জ্বালানি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিও ব্যবহার করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশ থেকে অপরিশোধিত ও পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের শোধনাগারে এসব তেল প্রক্রিয়াজাত করে প্রয়োজনীয় জ্বালানি উৎপাদন করা হয়।

হরমুজ প্রণালি ব্যবহারে স্বস্তি

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচলে কোনো বাধা নেই বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে করে জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হবে।

পেট্রল ও অকটেন সরবরাহ পরিস্থিতি

এপ্রিল মাসে পেট্রল ও অকটেন সরবরাহ নিয়েও বড় ধরনের কোনো উদ্বেগ নেই। স্থানীয় উৎপাদন ও আমদানির সমন্বয়ে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

📱 বার্তা আলো

সব খবর সবার আগে পেতে এখনই অ্যাপটি ডাউনলোড করুন