নেপালের সঙ্গে ২–২ গোলে ড্র—জেতা হয়নি বলে দুঃখ আছে, কিন্তু সেই হতাশার মধ্যেও ভর করছে আশার সুর।
নেপালের সঙ্গে ২–২ গোলে ড্র![]() |
| নেপালের সঙ্গে ২–২ গোলে ড্র । ছবি:সংগৃহীত |
পরিবর্তনের এই হাওয়া আসলে কয়েকজন নতুন খেলোয়াড়কে কেন্দ্র করে। সাম্প্রতিক সময়ে হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, ফাহমিদুল ও জায়ান দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পরই সমর্থকদের মনোভাব বদলে গেছে। বিশেষ করে হামজা যেন দলের এক নতুন শক্তি। ইংল্যান্ডের লিগে খেলার অভিজ্ঞতা মাঠে কেমন প্রভাব ফেলছে, তা তাঁর দৌড়ঝাঁপ ও নিবেদনেই স্পষ্ট। কখনো রক্ষণে, কখনো মাঝমাঠে, আবার কখনো আক্রমণে—সব জায়গায় অবদান রাখছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে মাত্র ছয় ম্যাচেই তাঁর চারটি গোল, এর মধ্যে পানেনকা শট আর দারুণ ওভারহেড কিক—যা বাংলাদেশের ফুটবলে খুবই বিরল দৃশ্য।
![]() |
| হামজা চৌধুরী । ছবি: সংগ্রহীত |
তবে সমস্যা একটাই—হামজা একা যতই চেষ্টা করুন, দলীয় সমর্থন ছাড়া ধারাবাহিক ফল পাওয়া কঠিন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ভুল করে গোল হজম করার দৃশ্য এখনো বাংলাদেশে নিয়মিত। নেপাল ম্যাচের শেষে হামজার চোখের জলও সেই আক্ষেপ পরিষ্কার করে দেয়। অনেক সমর্থক বলছেন, “হামজা একা কতটা পারবেন?”—ঠিক যেমন একসময় মেসিকে নিয়ে মানুষের একই আফসোস ছিল।
তারপরও পরিবর্তনের বার্তা স্পষ্ট—বাংলাদেশ দল এখন আগের চেয়ে বেশি উচ্ছ্বসিত, বেশি লড়াকু, বেশি আত্মবিশ্বাসী। সমর্থকরা আবার আশা করছেন, হতাশা পেরিয়ে দেশের ফুটবলে নতুন যুগ আসতে পারে। একসময়ের দূরাশা আজ বাস্তবের কাছাকাছি মনে হচ্ছে। ওভারহেড কিক, পানেনকা—আগে যেসব শব্দ শুধু মেসি–রোনালদোদের জন্যই মানাত, আজ সেগুলো বাংলাদেশের খেলোয়াড়ের নামের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে।
এই নতুন অধ্যায় কত দূর যাবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন